Headlines
Loading...
সিনিয়র আপু যখন বউ, ভালবাসার গল্প পার্ট তিন।

সিনিয়র আপু যখন বউ, ভালবাসার গল্প পার্ট তিন।

চলে গেলাম তাকে নিয়ে কাজি অফিসে, আমাদের বিয়ে হলো, ৪ জন সাক্ষীর মধ্য তার বন্ধুই ছিলো ৪ জন,  আমার জন্য আমিই ছিলাম একা, আমার একটু ও খারাপ লাকছিলো না,  বার বার মনে হচ্ছিলো আমার সব থেকে কাছের মানুষ টাকে প্রিয় মানুষ টাকে কাছে পেতে যাচ্ছি।  বিয়ের কাজ শেষ হলো দুজন এর এই।  তখন বিকেল প্রায় ৪ টা বাজে৷ নিলা তার সব বন্ধুদের কে নিয়ে আমাকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমরা খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম।  তার পড় আমি আর নিলা চলে গেলাম,  কাছা কাছি একটা পার্কে।  
নিলাঃ- তর কি মন খারাপ।
আমিঃ- না মন খারাপ হবে কেনো,
নিলাঃ- মামা মামী কি জানে আজ আমাদের যে বিয়ে হলো।  
আমিঃ- জানলে কি তোমাকে বিয়ে করতে পারতাম।  কেউ জানে না,  তবে কাল থেকে সবাই জানবে৷  তোমার বিয়ে ঠিক হয়েছিলো কবে।  নিলাঃ- ২৭ তারিখ,। 
আমিঃ- তাহলে আজ ৩ তারিখ, কেউ বিয়ের বাজার করে নি।  যত দ্রুত সম্ভব বেপার টা সবাইকে জানিয়ে দেওয়াই উত্তম,।  
নিলাঃ- ঠিক বলেছিস।। 
আমিঃ- আমি ফেনিতে চলে যাবো।  সব জানার পড় কি হয় আল্লাহই জানে,  তবে আমার বাড়ি থেকে তেমন সমস্যা হবে না মনে হচ্ছে।  বাবা জানলে একটু বকা বকি করবে।  কিন্তু ফেমিলিতে সমস্যা হবে।  যাই হক।  তুমি যা ভালো মনে কর তাই করো।  টাকা লাগবে তোমার আমার কাছে আর ৫ হাজার টাকা আছে।  ৩০ হাজার টাকাই শেষ করে ফেলেছি, আর একাউন্টেও নেই। । 
নিলাঃ- না আমার কোনো টাকা লাগবে না৷  অনেক অনেক সরি তকে এই ভাবে তর জীবন টা নষ্ট করে দিচ্ছি।
আমিঃ- আমি বল্লাম সরি কেনো বলছো, যা হবে হক। ভাই হিসেবে ও তোমার জীবন নষ্ট হক। তা আমি চাই না।  
নিলা আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে আর বললো, 
নিলাঃ- চল সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে।  আমি বাসায় চলে যায়।  
বলে নিলা চলে গেলো।  আমিও ফেনীতে চলে এলাম।  
পড়ের দিন সকালে 
নিলা তার বাড়িতে তার ভাবির কাছে সব বলে দিলো।  অমনিতেই সবাই জানাজানি হলো।  আম্মু একবার কল করে জিজ্ঞেস করেছিলো সত্যি নাকি মিথ্যা৷  আমি বল্লাম সত্যি।  বলে কল টা কেটে ফোন বন্ধ করে রাখলাম।  তিন দিন আমার মোবাইল বন্ধ ছিলো।  চার দিনের মাথায় নিলাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে ফোন টা অন করলাম।  ভেবেছিলাম মনে হয় নিলা অনেক গুলো মেসেজ দিয়ে রেখেছে।  আমার জন্য হয়তো তার মনে একটু ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে।  কিন্তু ফোনটা অন করার পড় ৪ মিনিটের মাথায় আমার আম্মুর মোবাইল থেকে একটা মেসেজ এই এসেছে৷  আমরা খুশি হয়েছি তকে কেউ বকা বকি করেনি।  আর কারো মেসেজ আসেনি।  আমি আম্মু কে কল না দিয়ে নিলাকে কল দিতেই সে ধরে বললো, কিরে কেমন আছিস, কই ছিলো কোনো কল দিলি না যে।  অহ তার আগের নাম্বার টা বন্ধ নতুন নাম্বারটা কারো কাছেই নেই।  তাই কল দিতেই তাকে পেয়ে গেলাম।  সে এই কথাটা বলতেই বলল্লাম,  আমার ফোন বন্ধ ছিলো ৩ দিন, 
নিলাঃ- কেনো,  তর ফোন কি নষ্ট হয়ে গিয়েছে নাকি।
আমিঃ- মনে মনে অনেক কষ্ট পেলাম।  স্বামী হওয়া সত্যও একটা কল দিয়ে একটু খুজ নিলো না।  আমি বললাম,  বাড়িতে সবাই জানাজানি হয়েছে৷  কল দিবে তাই ফোন বন্ধ করে রেখেছি।  
নিলাঃ- আমিও আমার আগের নাম্বার টা বন্ধ করে রেখেছি।  
আমিঃ- কেমন আছো।  শোনলাম বাড়িতে নাকি সবাই মেনে নিয়েছে।  তাহলে আর সমস্যা কি,  চলো বাড়িতে যাই।  
নিলাঃ- নিলেই কি হবে,  আমি তো তকে এক বছরের জন্য বিয়ে করেছি।  এক বছর না হয় বাড়িতে যাবো না।  
আমিঃ- আম্মু মেসেজ দিয়েছে,  সবাই নাকি মেনে নিছে বাড়িতে।  
নিলাঃ- তাতে কি, তুই কি বুঝাতে চাস,  আমি তর সাথে সংসার করার জন্য বিয়ে করেছি। । 
আমিঃ- তা নয়, তবে যদি মেনে নাও তাহলে কেমন হয়। 
নিলাঃ- আকাশ তুই বেশি ভেবে ফেলছিস।  
তার পড় নিলা কল টা কেটে দিলো।  আমি আম্মুকে কল দিতেই আম্মু বললো সবাই নাকি মেনে নিছে।  তার বিয়েও আগের টা ভেংগে গেছে।  ফোন বন্ধ করে রেখেছি কেনো।  আরও কত কিছু।  তারা অনেক খুশিই হয়েছে বটে৷  এই ভাবেই কেটে গেলো ২ থেকে তিনদিন।  কিছু ভাল লাকছিলো না৷  নিলাকে কল দিলাম ধরলো না৷  সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলো।  আবার কল দিলাম।  নিলা ফোন কেটে দিলো।  
আবার কল দেওয়ার পড় দরে বললো।  ভাই তুই আমার ভাই কিন্তু স্বামী হিসেবে আমি তকে মেনে নিতে পারবো না।  
আমি ঃঃ আচ্ছা নিও না৷  কিন্তু পরামর্শ করতে বাধা কোথায় তোমার বলো।  
নিলাঃ- আচ্ছা!  বল কি পরামর্শ।  
আমিঃ- সবাই অনেক খুশি হয়েছে, আমি তকে বিয়ে করেছি।  সব কিছু বাধ দিয়ে দুজনে একটা নতুন জীবন শুরু করলে কি হয়।  
নিলাঃ- তা কোনো দিন ও সম্ভব হবে না৷ 
আমিঃ- আচ্ছা।  ঠিক আছে পড়ে কথা বলবো। 
আমি কল কেটে দিয়ে সেদিন সারারাত অনেক কান্না করেছি।  অনেক কান্না করেছি।  সব কিছু বাধ দিয়ে নিজের কাজে মন দিলাম। 
আম্মু মাঝে মাঝে কল দিয়ে বলে বাড়িতে যাওয়ার জন্য।  আমি কাজের ব্যস্ততা আর তার লেখাপড়া জব এর ব্যস্ততা বলে পাস কাটিয়ে চলছিলাম,  দেখতে দেখতে প্রায় ৮ মাস চলে গেলো।  তার মধ্য ২ বার হাই হেলো কথা হয়েছিলো।  
হঠাৎ একদিন তার ফোন থেকে কল আসলো।  

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,!


0 Comments: