রাতে দুজন সুয়ে পরলাম। ঘুম থেকে উঠে আমি আমার মতো বাহিড়ে চলে গেলাম। বাহির থেকে এসে দেখি উমা ঘুম থেকে উঠে রান্না বান্নার কাজ শেষ করছেন। টেবিলে খাবার দেওয়া হলো খেয়ে নিলাম। রাতে একটু দেরি করে ফিরলাম। আমি কোনো নেশা করি না। তাই আর সন্দেহ করেনি। এইভাবে আস্তে আস্তে দিন গুলো চলে গেলো। দেখতে দেখতে পুড়ো এক বছর কেটে গেলো। আজ সে চলে যাবে আমাদের বাড়ি থেকে। আমি বরাবরের মতোই বাহিরে চলে গেলাম। আমার খেয়াল এই ছিলো না আজ সে চলে যাবে। আমি ঘরে ফিরে আসতেই দেখি রান্না করা হয়নি। উমা বলে ডাক দিতেই রহিম চাচা আর আব্বু এসে বললো। কে রান্না করবে উমা তো আজ চলে গেছে। আব্বু এই কথা বলতেই আমার ভিতর টা দুমুরে মুচরে উঠলো। আমি বাহিরে গিয়ে খেয়ে নিলাম। সেখান থেকেই সুজা চলে গেলাম উমাদের বাড়িতে গিয়ে দেখি উমা বসে বসে কান্না করতেছিলো। আমি জেতেই উমা বললো সাবধান এই বাড়িতে আপনি পা রাখবেন না। আমি অনেক জুরাজুরি কররাল কিন্তু আসলো না। আমি খালি হাতেই বাড়িতে ফিরে আসলাম বাড়িতে এসে সুয়ে ছিলাম। আমার কোনো ভাবেই ঘুম আসছিলো না। কষ্টে বুক টা ফেটে যাচ্ছিলো। দেরি না করে সন্ধ্যায় আবার চলে গেলাম। উমা কে বললাম উমা আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না। তুমি প্লিজ আমার সাথে চলো। উমা রাজি হচ্ছিলো না। তার পড় কুলে নিয়ে আসতে যাবো তখন এই বললো আমি রেডি হয়ে আসছি। তার পড় তাকে বাড়িতে নিয়ে আসলাম। ঘরে এসে আমাকে জরিয়ে দরে অনেক কেদেছিলো। সেদিন আমিও বুঝতে পেরেছিলাম। স্বামী থাকার পড়েও না থাকার কষ্ট টা কত কষ্টের হয়। তার পড় দুজন মিলে ডিভোর্স পেপার টা ছিড়ে আগুন দিয়ে পুরিয়ে ফেলেছিলাম। খুব ভালোবেসে ছিলাম সেই মুহুর্ত টা কে। সে আমাকে কথা দিয়েছিলো আমাকে ছেড়ে যাবে না কোনো দিন। তাই জগরা হলেও পাসের রোমে চলে যায়। তাও আমাকে ছেড়ে যায় না। অনেক ভালোবেসে ফেলেছি। এর মধ্য নতুন মেহমান ও আসার খবর হলো। অনেক খেয়াল রাখি। অহ সেদিন রাতে আমাদের আবার বিয়ে হয়েছিলো। অনেক সুখে আছি আমরা৷ দোয়া করবেন।
আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা সরি। সমস্যার কারনে গল্প টা ইউনিক কিছু লিখতে পাড়িনি। সামনে গল্প গুলো আরও সুন্দর হয়ে উঠবে। দোয়া করবেন।
আর কেমন গল্প আপনাদের পছন্দ আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন।
0 Comments: