আমার বাবার গাড়ি থেকে একটা মেয়ে নেমে আসলো। সুন্দরী, চোখ গুলোও অনেক সুন্দর, আমার অবশ্য এই গুলাতে তেমন ইন্টারেস্ট নাই। ঘরে গেলাম গিয়ে বাবার সাথে বসে আড্ডা দেওয়ার পড় রেস্ট করতে গেলাম। খেয়ে ঘুমিয়ে পরলাম, ঘুম থেকে উঠে দেখি সকাল হয়ে গেছে। বাবা অফিসে চলে গেছেন। রহিম চাচা আমার জন্য খারাপ রেডি করলো। অবশ্য রহিম চাচা রান্না করতে পাড়ে না। কিন্তু আমাদের বাসায় রান্নার জন্য আমার সব থেকে প্রিয় মানুষ তুলশি বেগম আছেন। যাকে খালা বলেই ডাকি। অনেক আদর করে আমাকে। আমি রেডি হয়ে আব্বুর অফিসে গেলাম। গিয়ে দেখি আব্বু আর অই মেয়েটা বসে আলোচনা করছে। আমি জেতেই আব্বু মেয়েটির সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো। মেয়েটির নাম ছিলো উমা। হাই হেলো তেই পরিচয় শেষ। আব্বু বলছিলো মেয়েটি আব্বুর পারসনাল এসিস্ট্যান্ট । তাই আর তেমন কিছু বলিনি। আপনাদের উমার সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। উমা। পুড়ো নাম নুসরাত জাহান উমা। বাড়িতে দুইটা বোন আর একটা ভাই আছে বাবা বেচে নেই মা আছেন। খুব বিশ্বস্ত তাই আব্বু উনার সাথেই রাখেন। এইবার আসা জাক মুল গল্পে। আব্বুর ইচ্ছে ছিলো আমি দেশে আসলেই আমাকে একটা বিয়ে করিয়ে দিবে। তাই নিয়ে আব্বু অসুস্থতার অভিনয় করে আমাকে বিয়ে করাতে রাজি করালো। আমি বিয়ের জন্য রাজি হয়নি বলে এই প্লেন করলো। যখন রাজি হই তখন আব্বু উমা কে একটা বউ খুজার দায়িত্ব দিলো। কিন্তু আব্বুর খুব ইচ্ছে উমা কে আমার বউ বানাবে। আব্বু এসে আমাকে বললো উমার সাথে এই বিষয়ে কথা বলার জন্য। আর উমাকে আব্বু সব বলে দিয়েছেন। আমি বিকেলে আনাদের বাগানের সামনে একটা চেয়ারে বসে লেপটপ চালাচ্ছিলাম। উমা এসে আমার সামনের চেয়ারে বসলো। উমা চুপ করে ছিলো, তাই আমি বাধ্য হয়ে কথা বললাম। উমাকে বলে দিলাম আমি বাবার হাসিটা দেখার জন্যই বিয়ে করতে রাজি হয়েছি। তুমি কি রাজি আছো। উমা বললো হ্যাঁ রাজি আছি। তাহলে বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নাও। খুব শিগগিরই আমাদের বাসর ঘরে দেখা হচ্ছে। আমি বাবাকে কষ্ট দিতে চাই না। তাই বাবার পছন্দেই আমি বিয়ে করবো। বলে ঘরে চলে গেলা৷। সব প্রস্তুতি নিয়েনিলাম দুইদিন পড় বিয়ে। কেনাকাটা সব শেষ বিয়ে বাড়িটা রঙের বাহার হয়ে উঠেছে। রঙিন হয়ে উঠেছে পুড়ো বাড়ি৷ থমথমে ধমধমে পরিবেশ। যেখানে আমার এখনি বিয়ে করার কোনো চিন্তা ভাবনাই নেই৷ সব ঠিক তাও আমার বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো না এখনি। বিয়ে হলো বাসর ঘরে ডুকে বউয়ের ঘুমটা টা তুলে জুরে একটা নিশ্বাস ফেলে বললাম উমা। তোমাকে কিছু কথা বললো। জ্বি বলুন! (উমা) কথাটা হচ্ছে এই কাগজে তোনাকে সই করতে হবে। উমা কাগজ টা পরলো চোখের জল ছেড়ে সাথে সাথে সই করে নিলো। জিজ্ঞেস করলো এইবার কি একটু বলা যাবে কেনো আমাকে এই সর্ত গুলো দেয়া হয়েছে। তার পড় উমাকে সব বললাম। সর্ত গুলো ছিলো আমরা একে অপরের খেয়াল রাখবো৷ কারো কাজে কেও বাধা দেবো না। যার যার ইচ্ছে মতো কাজ করবো। সর্ত গুলো মেনে চলার পড় যদি দুজন দুজনের প্রতি কোনো ভালোবাসা জন্ম নেই তাহলে আমরা এক বছর পড় আবার বিয়ে করবো নাহলে এক বছর পড় সর্ত অনুযায়ী আমরা আলাদা হয়ে যাবো।
উমা কাদতে কাদতে বলতে লাগলো। আমিই একমাত্র নারী যে কিনা বিয়ের প্রথম রাতেই ডিভোর্স পেপারে সাইন করলাম। আর এক বছরের জন্য সংসার শুরু করলাম। বলে কাদতে কাদতে ঘুমিয়ে পরলো। আমি সুফাই গিয়ে সুয়ে পরলাম। আজ এই পর্যন্তই
0 Comments: