রাত ৯ টার দিকে সে অনলাইনে আসলো, তার সাথে অইদিন রাতে সারা রাত কথা বললাম। মনে যত কথা তার জন্য জমানো ছিলো সব সেদিন বলে দিলাম। নিজেকে খুব হালকা মমে হয়েছিলো। তার পরে শুরু হলো আমার নতুম এক জীবন। দিরে দিরে তাকে আরও বেশি আপন করে ফেললাম। হাসি কান্না দুঃখ কষ্ট ভাগাভাগি করে নিলাম। সেদিন মনে হয়েছিলো সে এই হয়তো আমার জীবনের তার্নিগ পয়েন্ট। অনেক হেপি মনে হয়েছিলো। আস্তে আস্তে আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠলো। একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা মনে হত। মনে হত তাকে ছাড়া হয়তো আমার জীবন টাই অচল। সারাক্ষণ তাকে নিয়ে ভাপতাম। কিছু কর্তে গেলেও তার কথা মনে হতো খেতে গেলেও তার কথা মনে হতো। আমার জীবনটা জুরেই যেনো ইতি মিসে গেছে। একদিন ইতি বল্লো ঃঃ- অই চলো আমরা কোথাও গুরতে যায়।
আমি - কোথায় যাবে বলো।
ইতি - আমি কি জানি নাকি, কোথায় সুন্দর যায়গা।
আমি - আমিও তো তোমার মত এতো গুরতে যায়নি।
ইতি - পাগল একটা, নিজের গার্লফ্রেন্ড কে নিকে গুরতে যাবে, কোথায় যাবে জানে না।
আমি - অকে আমি একটু পড় জানাচ্ছি তোমাকে,
ইতি - এখন কি আমাকে রেখে অন্য জনের কাছে জানবে নাকি।
আমি - হ্যাঁ,
ইতি- জানি তো আমাকে যে ভালবাসো না।
আমি - অই আমি কি বলেছি। তুমি জানো না, আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।
ইতি- জানি তো, তোমার মুখ থেকে শুনতে আমার অনেক ভাললাগে,।
আমি- অহ আচ্ছা তাই!
ইতি - চলো না আমরা গুরুতে যায় কোথাও,
আমি - কবে যাবে বলো।
ইতি- কালকেই চলো।
আমি- অকে চলো কালকেই যায়।
আমি কোথায় গুরুতে যাওয়া যায় সেটা একটা ফ্রেন্ডের কাছ থেকে জেনে নিলাম। সব প্রস্তুতি সেরে আমার একটা ফ্রেন্ড আর তার একটা বন্ধবী কে সাথে করে নিয়ে চলে গেলাম গুরুতে। সারাদিন এর কথা আর না বলি। দিনটি স্বরনীয় ছিলো। অনেক মজা আর আড্ডা দিয়েছিলাম। হাতে হাত রেখে হাটার অনুভুতি টা বলে বুঝানো যায় না৷ আমাদের পরিক্ষা চলে আসলো পরিক্ষা দিলাম। পরিক্ষা দিয়ে আর বাড়িতে থাকলাম না। আমি চলে গেলাম ফেনীতে সেখানে একটা কোম্পানির জব নিলাম। খুব ভালোই দিন কাটছিলো। সরকারি চাকরির জন্য অনেক চেষ্টা করেছি। কপালে ছিলো না বিদায় হয়নি। অনেক দিন চাকরি করার পড় আমার প্রমোশন হলো। ভালো টাকার ভেতন ও পাই। তা দিয়ে সংসার চলে যায়। তার সাথে সাথে আমার ভালোবাসার মানুষটির সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়। সবাই রাজি। আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পর্বে৷
0 Comments: