Headlines
Loading...
বৃষ্টি বেজা শহর ভালোবাসার গল্প পর্ব এক

বৃষ্টি বেজা শহর ভালোবাসার গল্প পর্ব এক

আমার বাবা,  এই শহরের নাম করা একজন বিজনেস মেন।  অনেক টাকা আর ধন সম্পত্তির মালিক।  তবে মন টা অনেক ভালো।  আমার মা মারা জান আমার ছেলে বেলায়।  কুলে পিঠে করে মানুষ করেছেন বাবা এবং রহিম চাচা।  মা ছাড়া ছোট বেলাটা কত কষ্টে কাটে তা হয়তো আমাকে আর বলতে হবে না।  পেটের খিদা হয়তো মিটাতে পারতাম।  মায়ের ভালোবাসার স্বাদ পাওয়াও হয়নি মিটাতেও পাড়িনি।  কিন্তু আমার বাবা আমাকে সেই ভালোবাসার স্বাদ দিয়েছেন।  বুঝিয়েছেন আগলে রেখেছেন।  নিজে কে কখনো একা থাকতে দেন নি। কোনো কিছুই অপুর্ণ রাখেন নি।  সব কিছুই পুর্নকরার চেষ্টা করেছেন।  জাক আমার পরিচয় পর্বটা হয়তো শেরে ফেলাই উত্তম হবে।  আমি আকাশ এতক্ষন যেই মহান মানুষটির কথা বলছিলাম তিনি হচ্ছেন আমার বাবা।  আমি এমিরিকায় থাকি।  আজ ৩ বছর পড় বাড়িতে যাবো।  আমিরিকায় এসেছিলাম গ্রেজুয়েট কমপ্লিট করতে।  ইনসাআল্লাহ সেই স্বপ্ন পুর্ন হয়েছেন। ।।  যদি বিদেশে পরিবার ছাড়া মোটেও ভালো লাগে না তার পড়েও  নিজের স্বপ্ন কে পুর্ন করতেই আমি বিদেশে এসেছিলাম।  আজ অনেক দিন পড় বাড়িতে যাবো ।  মনে খুব আনন্দ রঙের বাহার বয়ে যাচ্ছে।  সব কিছু গুছানো রেডি হয়ে বের হয়ে গেলাম। সবার জন্যই বিদেশি জামা কাপড় আর কিছু কিছু উপহার নিলাম।  যে গুলো কেউ জানে না৷   বিমানবন্দরে এসে সব কিছু অকে করে বিমানে চরলাম।  বিমান উরাল দিলো জন্মভূমির টানে।  আনমনে উরে চলে এলাম স্বদেশে।  মনে মধ্যে সে কি আনন্দ।  তরসইছিলো না আনন্দটা ভাগাভাগি করে নিতে। অহ আমি আজ দেশে যাচ্ছি বাড়িতে কেউ জানে না।  তাই কেউ নিতেও আসেনি।  আমি আমার মত করে একটা গাড়ি নিয়ে চলে এলাম আমার নিজ বাড়িতে।  এসে দেখি রহিম চাচা বাড়িত একা বাড়ির নানান কাজ নিয়ে ব্যস্ত।  চাচাকে খুব ভালো বাসি।  সেই ছোট বেলা আমাকে কুলে পিঠে করে মানুষ করেছেন ।  চাচাকে পিছন থেকে জরিয়ে দরতেই আমার চোখে জল চলে আসলো।  নিজেকে আর থামিয়ে রাখতে পাড়িনি। চাচা আমাকে দেখেই  বুকে জরিয়ে নিয়েছেন।  জিজ্ঞেস করলাম বাবা কোথায় চাচা বললো অফিসে কিছুক্ষণ পড়েই আসবে৷  তাই আর দেরি না করে আমি আসার বদলে বাবাকে বরন করে নেওয়ার প্লেন করলাম।  প্লেন মত কাজ ও করলাম।  বাড়িতে রহিম চাচা সহ আরও চার জন থাকে।  সবাইকে প্লেন মত কাজ করতে বললাম৷  প্লেন মতোই কাজ হলো।  বাবা আসার সাথে সাথেই বাবাকে তারা বরন করে নিলো আমি মোখস পড়ে থাকায় বাবা আমাকে চিনতে পারেনি।  রহিম চাচা কে জিজ্ঞেস করলো হঠাৎ এমন প্লেন কেনো।  বলতেই বাবাকে মোখস টা খুলে সামনে এলাম।  বাবা দেখে খুব অবাক হয়ে ছিলো।  কাদো কাদো চোখ নিয়ে জরিয়ে দরে আবেগে আপলোত হয়ে পড়ালাম।  ঘরে ডুকতে যাবো ঠিক তখন এই দেখলাম বাবার গাড়ি থেকে একটা মেয়ে নেমে আসলো।   সুন্দর চোখ,   মায়াবি চেহারা,  আমার অবশ্য এইসবে এতো ইন্টারেস্ট নাই।  
 
 
আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পর্বে।  

0 Comments: