Headlines
Loading...
ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন পর্ব দুই

ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন পর্ব দুই

 আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই,  আশা করি ভাল আছেন।  আমিও ভাল আছি বরাবরের মতো আজকেও চলে এলাম ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন দুই নাম্বার পর্ব নিয়ে চলুন শুরু করা যাক।

আমারও তাকে নিয়ে ভাবতে খুব ভাল লাগে৷  ভাল লাকতে লাকতে মনে অনেক সাহস চলে এলো।  একদিন সকাল সকাল ইস্কুলে যায় তার জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।  সে কখন আসবে তার জন্য মনটা উদাস হয়ে আছে এক পলক দেখার জন্য।  আমি নিজেও জানি না তাকে আমার কেনো এতো ভাল লাগে।  সেদিন ছিলো বুধবার আমি ইস্কুলে তার জন্য অপেক্ষা করতে করতে আমার অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো।  সে ইস্কুলে আসলো আর ব্যাগ রাখার জন্য ক্লাস রুমের ভেতরে গেল।। আমি তখন অপেক্ষা করতেছিলাম ।  সে বাহিরে আসার সাথে সাথেই তাকে ডেকে আমার মনের কথা বলে দিবো।  সে বাহিরে আসলো আমি তাকে সাথে সাথে সালাম দিয়ে বললাম আসসালামু আলাইকুম তোমার সাথে আমার একটা কথা ছিল।।  একটু আমার সাথে আসবে।  এই কথা বলার সাথে সাথে সে বললো কি কথা আমি বললাম একটা পারসনাল কথা  সে বললো চলুন আমি ইস্কুলের পুকুর পারে গেলাম তাকে নিয়ে।  সেখানে যেতে যেতে আমার শরীর কাপা শুরু করে দিয়েছে।  জানি না বলার পর সে কিভাবে নিবে আর কি হবে।  আমি অনেক ভয় পাচ্ছিলাম।  ভাবতে ভাবতে তাকে নিয়ে পুকুর পারে চলে এলাম।  এখানে আসার পর জিজ্ঞাস করলো কি কথা বলুন।   আমি বললাম কিভাবে যে বলি আমার ভয় করছে।  এই কথা বলে আমি আবার তাকে বললাম যে আপনি বিষয়টা একটু নরনাল ভাবে নিবেন প্লিজ।  কাওকে কিছু বলবেন না।  আর কোনো ক্ষতিও করবেন না আমার প্লিজ৷  আমি এই কথা বলার কারন ছিলো বলা যায় না কোন মেয়ের মনে কি চলে।  আমি তাকে বললাম যে তোমাকে আমার খুব ভাল লাগে তোমাকে ভালবাসার সুযোগ দিবে প্লিজ।  সে কেমন জানি চমকে উঠলো আমার দিকে কেমন করে যেনো তাকালো।  আমি বললাম যে প্লিজ প্লিজ রাগ করবে না৷  না হলে সমস্যা নাই আমি আর বলবো না।  এই কথা শুনে সে আর কিছু বললো না।  আমি আবার পেছন থেকে ডেকে বললাম কষ্ট করে ভেবে দেখবা।  তার পর সে চলে ফেলো ক্লাস রুমে আমাদের ক্লাস শুরু হলো।  ক্লাস শেষে আর বাহিরে আসছিলো না। আর আমাদের ক্লাসে একজনের পর একজন শিক্ষক এসে ক্লাস করাচ্ছিলো।  আমারও বাহিরে যাওয়ার সুযোগ হচ্ছিলো না।  একটানা চারটা ক্লাস করার পর টিফিন টাইম।  আমি অইদিন আর কিছু খাইনি।  তাকে খুজা শুরু করলাম।  অনেক খুজলাম কিন্তু পেলাম না৷  আমার মনটা খারাপ হয়ে গেলো।  তার পর আর তাকে পাইনি অইদিন।  আমার খুব টেনশন হচ্ছিলো।  যদি বাড়িতে গিয়ে আমার নামে নালিশ করে বা তার বাবা মাকে বলে দেই তখন আমার কি হবে।  এইসব ভাবতেই ইস্কুলে কেটে গেলো।  ছুটি হলো বাড়িতে আসলাম।  কিন্তু আমার তার কথাই বার বার মনে হচ্ছিলো।    আমি কি ভুল বলে ফেললাম নাকি তাও মনে পরছিলো না।  সব কিছু চিন্তা বাদ দিতে গেলো তার কথাই মনে পরছিলো।  অইদিন সারারাত আর ঘুম হয়নি।  তার পরেরদিন আমি আবার ইস্কুলে গেলাম গিয়ে দেখি সে চলে আসছে।  তার বান্ধবীদের সাথে হাসাহাসি করছিলো।  আমাকে দেখেই তার হাসি থেমে গেলো।  আমি আর তার দিকে তাকিয়ে থাকিনি।  এখন তাকিয়ে থাকলেও ভয় লাগে।  কিন্তু লুকিয়ে লুকিয়ে তার দিকেই তাকিয়ে থাকতাম।  অইদিন সারাদিন আর কনো কথক হয়নি আমি জানতেও চাই নি।  এইভাবেই চলে গেলো আরও কিছু দিন।  তিনদিন পর বুঝতে পারলাম সে আমার ক্ষতি করবে না নালিশ করবে না করেও নি।  এইভাবেই দেখা দেখি চলতে থাকলো আরও চার পাচঁ দিন ।  আমি তখন বুঝতে পারতেছিলাম সেও আমার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।  আমি আর কিছু বলছিলাম না।  তার পর সেও আমাকে অনুসরণ করতে লাগলো।  আমিও একদিন সকাল সকাল এসেই দেখি সে আমার আগেই ইস্কুলে এসে বসে আছে।  আমি বই গুলো রাখার পর সে আমাকে ডেকে বললো যে আমার সাথে নাকি তার কি পারসনাল কথা আছে আমি এইভাবারও ভয়ে ছিলা সে কি আমাকে অন্য কিছু বলবে নাকি আমার মতোই করে বলবে।  আমি তার সাথে সেই যায়গাই গেলাম সে বললো যে আপনি তো কিছু জানিতে চাইলেন না।  আমি বললাম কি জানবো আপনি অইদিন তো রাগ করে চলে গেলেন তাই ভয়ে আর জিজ্ঞাস করলাম না৷ তার পর সে বললো যে আপনার ফোন নাম্বার টা কি পাওয়া যাবে৷  এই কথা শুনে আমি খুব অবাক হলাম।  

     আজ  এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পর্বে।  

0 Comments: