আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই। বরাবরের মতো আজকেও চলে এলাম নতুন একটা গল্প নিয়ে। আজকের গল্পের নাম মিসকল দিয়েই শুরু তোমার আমার প্রেম। আমি গত গল্পে বলে ছিলাম মিসকল নিয়ে একটা গল্প লিখবো তাই দেরি না করে লিখে ফেললাম আজকে। চলুন শুরু করা যাক।
নাদিয়া, নাদিয়া সেই মহিয়সী রমনীর নাম যে কিনা আমাদের প্রেমের প্রথম দিনেই আমাকে মিসকল দিয়েছিলো। সেই থেকেই শুরু হয় কথা বলা। কিন্তু আজ বিদাতার খুশিতে তাকে বিদায় জানাতে হচ্ছে অন্য কারো সাথে থাকার জন্য। খুব ভালবাসতাম৷ তাকে সারাক্ষণই তাকে নিয়ে ভাবতাম। মাঝে মাঝে মনে হতো তাকে যদি না পাই তাহলে এই কথা ভাবতেই কেমন যেনো লাকতো। বুকটা কেপে উঠতো। ও হ্যাঁ আমি আকাশ আমাদের বাড়ি বরিশালের ডালুরা ঘাট। পরিবারের সবাই আছে শুধু দাদা ছাড়া। বাবা বিদেশে থাকে প্রায় পাচঁ বছর তার মধ্য একবার বাড়িতে এসেছিলো। আমি পরিবারের সবার বড় সন্তান নিজেকে সব সময় দুঃখ থেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করি সব সময়। আমি তখন ক্লাস অষ্টম শ্রেনীতে পড়ি হঠাৎ একদিন ইস্কুলে থাকা অবস্থায় প্রচুর ঝর বৃষ্টি আসতে লাগলো। ক্লাসে স্যার না থাকাই সবাই ক্লাসের বাহিরে মাঠে বসে হাওয়া অনুভব করছিলাম। বাতাস আসার সাথে সাথে সবাই চলে আসলো আমি বাতাসের সাথে সাথে যে দিক থেকে বাতাস আসছিলো সে দিকে হেটে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে দেখি একটা মেয়ে গাছের নিচে একা একা দাড়িয়ে আমার মতো হাওয়া অনুভব করছিলো। বাতাসে তার চুল গুলো মুখের উপর পরছিলো। মায়াবি চেহারা কিন্তু গায়ের রং ছিলো স্যমলা। বাতাসের সাথে সাথে তার উরনা তার চুল গুলো ঠিক ঠাক করতে সে ব্যস্ত ছিলো এইদিকে আমি তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি। বৃষ্টি আসতে লাগলো। আমি দাড়িয়ে রইলাম কিন্তু সে দৌড়ে চলে যেতে লাগলো ক্লাসে দিকে। আমার শরীরে বৃষ্টির ফোটা পরতেই আমি চমকে উঠলামে। তার পর ক্লাসে গেলাম। আমি তখন শুধু বুঝতে পেরেছিলাম মেয়েটি আমার সাথেই পড়ে কিন্তু অন্য একটা শাখায়। আমি জিজ্ঞাসা করলাম আলামিন নামে আমার এক ক্লাসমেট কে সে বললো যে মেয়েটির বাড়ি আমাদের বাড়ির সাথে আর মেয়েটি অনেক ভাল। আমি আর কিছু বলছিলাম না। কিন্তু তাকে অনুসরণ করছিলাম। সে কোথায় যায় কি করে একদিন বাসা থেকে খুব সুন্দর করে সেজে এসেছিলো। আমি দেখেই অবাক চোখে তাকিয়ে ছিলাম। সে দিন মনে খুব সাহস জমে ছিলো। সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে তাকে আমার মনে কথা বলে দিবো। ক্লাস শুরু হলো সে তার শাখায় আমি আমার শাখায়। ক্লাস একটার পড় একটা যাচ্ছে আর আমার বুকের দুকবুকানি বাড়ছিলো। আমি যখন বলবো বলে ভেবে রেখে ছিলাম তখনই ইস্কু ছুটি হয়ে গেলো। খুব খারাপও লাকছিলো আজকে ভাল করে দেখতেও পাবো না। বাড়িতে চলে আসলাম কেমন জানি লাকছিলো। পরের দিন আবার ইস্কুলে গেলাম গিয়ে কিন্তু সে অইদিন ইস্কুলে আসলো না। আমার সারাদিন ভাল লাকছিলো না৷ আমিও একটা কারন দেখিয়ে বাড়িতে চলে আসলাম। আমার কেনো যেনো তাকে দেখতে খুব ইচ্ছা হচ্ছিলো। আমি তার বাড়িও চিনি না। মনটা খাপেই হয়ে গেলো। কিন্তু আমার ভাল লাগে যখন তাকে নিয়ে বাভি। আমারও কেনো যানি তাকে নিয়ে ভাবতে খুব ভাল লাগে।
আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পর্বে।
0 Comments: