Headlines
Loading...
ভালবাসা গল্প শেষ থেকে শুরু পর্ব তিন এবং শেষ

ভালবাসা গল্প শেষ থেকে শুরু পর্ব তিন এবং শেষ

 আসসালামু আলাইকুম  বন্ধুরা কেমন আছেন সাবাই।  আশা করি ভাল আছেন আমিও ভাল আছি।  বরাবরের মতো আজকেও চলে এলাম আপনাদের মাঝে ভালবাসার রোমান্টিক গল্পের শেষ পর্ব নিয়ে।  চলুন গল্পটা শেষ করি। 

 আমি হেল বলে সালাম দেওয়ার পরেই শিলা আমার ফোন কেটে দিলো আমি অনেক বার কল দিয়েছি কিন্তু কেটে আসছিলো।  মনে মনে ভাপতে লাগলাম হয়তো সে খুশি না।  অনেক ভাবনা ডুকে গেলো মাথায় কি করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না।  মনে হয়েছিলো আমি মনে হয় ভুল করে ফেলেছি তাকে বিয়ে করে।  মনে হয়েছিলো আমার সাথে বিয়ে হয়ে সে খুশি না।  আর কিছু ভেবে না পেয়ে আর কল দিয়ে বিরক্ত করলাম না। সারাদিন কেটে গেলো আমার নানা ধরনের চিনতা করতে করতে।   সন্ধা পার হলো আমি আবার কল দিলাম কিন্তু ফোনটা বন্ধ পেলাম।  খুব খারাপ লাকছিলো না পারছি কাওকে বলতে না পারছি কিছু করতে,  যদি বাবা মা জানতে পারে তাহলে অনেক কষ্ট পাবে ভেবে কিছু বলছিলাম না। আমি আমার মতো করে রাতের খাবার খেয়ে সুয়ে ছিলাম সুয়ে মুভি দেখছিলাম।  রাত তখন প্রায় বারটা খুভ রোমান্টিক একটা মুভি দেখছিলাম দেখতে দেখতে তাকে নিয়ে চিনতাও করছিলাম।  আমি কি আমার মা বাবার কথা শুনে ভুল করলাম কিনা তাও ভাপছিলাম।  নাকি আমার মা বাবা সঠিক কাজটাই করলো এইসব ভাবতে ভাবতে রাত আমার মুভি প্রায় শেষের দিকে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি ছিলো।  রাত তখন প্রায় একটা এক মিনিট বাজে একটা মিস কল আসলো।  আমি চেক করে দেখি সেই নাম্বারে মিসকল টা আসলো যার জন্য সারাদিন চিন্তিত ছিলাম ।  আমি আর দেরি না করে সাথে সাথেই নাম্বারে কল ব্যাক করলাম।  কলটা রিসিভ ও হলো   আমি কিছু বলার আগেই উপাশ থেকে একটা মিষ্টি কন্ঠে আওয়াজ আসলো ওয়ালাইকুম সালাম।  আমার তখন তার কন্ঠের আওয়াজ শুনেই কেমন যেনো থমকে গেলাম।  একটা মানুষের এতো সুন্দর গলার আওয়াজ কিভাবে হতে পারে ভাবতে ভাবতেই আবার বলে উঠলো ওয়ালাইকুম সালাম বলে আবার আমাকে সালাম দিলো    ।  আমি এইভার আর থেকে থাকলাম না।  সালামের জবাব দিলাম।  দেওয়ার সাথে সাথেই আমাকে বললো কেমন আছেন। আমি বললাম হ্যাঁ এখন ভালো আছি।  সারাদিন মানে আপনি কল টা কেটে দেওয়ার পর আর ভাল ছিলাম না।  বললো কেনো,  আমি বললাম অনেক টেনশন হচ্ছিলো।  তার পর সব কিছু খুলে বলে দিলাম।  সব কিছু শুনার  সে হাসছিলো।  আমি আর কিছু বললাম না তবে হাসিটা শুনে মিনে হয়েছে হাসিটা মিষ্টি ছিলো।  তার পর থেকেই শুরু হলো আমাদের জীবন যাত্রা। এইভাবেই কেটে গেলো কয়েক দিন আমারও ছুটি শেষ হয়ে গেলো। আমি আর যেতে পারিনি তাদের বাড়িতে   তার চেহারাটাও দেখা হয়নি  তার পর   প্রায় তিন মাস পর    আমি আবার ছুটি নিলাম আমার পরিবারের সবাই এখন তাদের বাড়িতে আছে।  তবে এইভার ছুটি নিয়ে সুজা চলে যাচ্ছি তাদের বাড়িতে।  তাকে দেখার খুব ইচ্ছে হচ্ছে।  এতো দিন কথা বলার পর মনে হচ্ছে সেই মানুষটা অনেক ভাল আমার অনেক খেয়াল রাখে।  আমি তাকে না দেখেই অনেক ভালবেসে ফেলেছি মনে হচ্ছে তাকে ছাড়া বাঁচাটাও অনেক কঠিন হয়ে যাবে।    এই সব ভাবতে ভাবতেই গুমিয়ে গেলাম বাসে শুধু তাকে দেখার অপেক্ষা । বেচে থাকুক পৃথিবীর সব ভালবাসা।  সব ভাল মানুষ।  

বন্ধুরা  গল্প বেশি বর করলাম না।  আর গুছিয়ে হয়তো লিখতে পারিনি।  তার জন্য সরি।  ভাল থাকুন তবে মিসকলের বিষয়  টা নিয়ে ছুটো একটা গল্প লিখবো। খুবি মজার পাসে থাকবেন। 


0 Comments: