আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভাল আছেন আমিও ভাল আছি। বরাবরের মতো আজকেও চলে এলাম ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন তিন নাম্বার পর্ব নিয়ে। চলুন শুরু করা যাক।
সে আমার ফোন নাম্বার টা নিতে চাইলো। আমি তখন খুব অবাক হলাম আর সাথে সাথে জিজ্ঞাস করলাম। ফোন নাম্বার নিয়ে কি করবেন আগে বলেন। সে আমাকে ভয় দেখিয়ে বললো যে স্যারের কাছে নাকি নালিশ দিবে আমি বললাম যে না তাহলে দেওয়া যাবে না বলার পর হেসেহেসে বললো তারাতাড়ি দেন মানুষ দেখলে অন্য কিছু মনে করবে। আমিও দিয়ে দিলাম। সারাদিন তার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসতে হাসতেই কেটে গেলো। বাড়িতে আসলাম ফ্রেশ হলাম খেতে বসে তার কথা হলো। সাথে সাথেই একটা মুচকি হাসি দিয়ে দিলাম। রাতে ঘুমাতে গেলাম আর তার কথা মনে পরে গেলো। কেনো জানি একটু অন্য রকম লাকছে আজকে তাকে। তখন খুব ইচ্ছে করছিলো তার সাথে একটু কথা বলার জন্য। অনেক কিছু জিজ্ঞাস করার জন্য। মনটা আকুল হয়ে আছে। এইসব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে গেলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইলটা সবার আগেই হাতে নিলাম। আমি তখন বাটন ফোন চালাই। মোবাইলটা হাতে নেওয়ার কারন ছিলো সে কি আমাকে মেসেজ বা কল দিয়েছিলো নাকি বা কোনো অচেনা নাম্বার থেকে কল আসলো নাকি। কিন্তু না কোনো কলও আসলো না মেসেজ ও আসলো ন।। । তার পর আমি আমার মতো করে বরাবরের মতো ইস্কুলে চলে গেলাম। আজকে কেনো জানি ভয় চিনতা কিছুই হচ্ছিলো না। ভাল লাকছিলো। আমি ইস্কুলে গিয়ে বইটা রাখলাম রেখে তাকে খুজতে লাগলাম। পেলাম না এইদিকে আমাদের ইস্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। আমিও সেই দিকে মনযোগ দিলাম হঠাৎ সে আমার সামনে পরে গেলো আমি চমকে উঠলাম। আমার দিকে তাকিয়ে সেও চমকে উঠলো। আর সাথে সাথে দৌড়ে ক্লাসে চলে গেলো। আমিও আমার ক্লাসে চলে গেলাম কিন্তু ক্লাসে মন বসছিলো না। সে যখন আমাকে দেখে লজ্জা পেয়ে চলে যাচ্ছিলো তার লজ্জা মাখা মুখ খানি দেখার খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো। স্যার ক্লাস করাছে আমি এই দিকে মনোযোগ দিতে চাইলাম কিন্তু দিতে পারতেছিলাম না। আমাদের টিফিন টাইমে সে বাহিরে আসলো আমিও বাহিরে গেলাম। সে আমাকে আর চোখে দেখেতে চাইলো আমি সেটা লক্ষ্য করতাম। মুচকি মুচকি হাসতে লাগলো। আমিও হাসতে লাগলাম। তার পর ইস্কুল ছুটি হলো। আমিও বাড়িতে চলে এলাম। এইভাবেই কেটে গেলো আরও কিছু দিন। কিন্তু এইদিকে দিন যতো যাচ্ছিলো আমি তার প্রতি অগ্রসর হতে যাচ্ছি ততো বেশি। বার বার শুধু তার কথাই মনে পরে, তাকে দেখতেও খুব ইচ্ছে করে। মনে হয় যদি সারাক্ষণ তার সাথে থাকা যেতো। তাহলে কতো ভাল লাকত।। ভিতরে কেমন জানি অনুভূতি হয়। তার চিনতা আমাকে সারাক্ষন মগ্ন করে রাখতো। হঠাৎ একদিন আমি কি কারনে যেনো ইস্কুলে যেতে পারিনি। রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম হেটে হেটে বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। এমন সময় আমার ফোনটা বেজে উঠলো। তার পর আমি নরমালি ফোনটা মানুষ যে ভাবে নেই ঠিক সেই ভাবেই নিতে যাচ্ছিলাম।
আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পর্বে।
0 Comments: