Headlines
Loading...
প্রেমে পড়ে বিয়ে,  ভালোবাসার গল্প পার্ট ৩ এবং শেষ

প্রেমে পড়ে বিয়ে, ভালোবাসার গল্প পার্ট ৩ এবং শেষ

--সে অনেক কাহিনী। 
--একটু খুলে বলবেন কি?
-- তাহলে শোনোন আমার আব্বু আম্মু কেউ নেই।  ছোট বেলাই আমাকে রেখে আম্মু কে নিয়ে আব্বু হাসপাতালে যাওয়ার পথে মারা যান।  তার পড় থেকেই আমি আমার নানো বাড়িতে বড় হয়েছি।  নানো ও এখন খুব দুর্বল হয়ে গেছে।  নিজেই চলতে পাড়ে না।  তাই নানো আমাকে আমার খালার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।  আমি দীর্ঘদিন যাবোত খালার এইখানেই থাকি।  খালা এখন আমাকে বিয়ে দিয়ে দিতে চাচ্ছে।  আমিও চাই আমার বিয়ে হয়ে যাক।  অন্যর ঘারে আর কতোদিন পড়ে থাকবো। কিন্তু আমি কিছুই জানতাম না যে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার পড় আমার সব সম্পোত্তির মালিক হতে চায় আমার খালা।  যার কারনে খালা এমন একজন লোকের সাথে আমার বিয়ে ঠিক করেছেন যে লোক টা একটা বন্ড।  আর অই লোকের সাথে আমার খালা কন্টাক্ট করেছেন আমাকে উনার সাথে বিয়ে দিয়ে দিবে।  তার পরিবর্তে  আমার সব সম্পত্তির মালিক হতে তাকে কোনো প্রকার বাধা দেওয়া হবে না।  আজ রাতে ছিলো আমার বিয়ে।  কিন্তু আমি এসব কিছু জানতে পাড়ি আমার খালুর খাছ থেকেই।  আর খালুই আমাকে পালিয়ে যেতে অনেক সাহায্য করেছেন।  কিন্তু দেখেন আল্লাহ তালার কত বড় নিয়ামত আমি আপনার মতো একজন মহান ব্যাক্তির ঘরে আশ্রয় নিতে পেড়েছি।  অন্য কেউ হলে  এতো ক্ষনে কি জানি কি হয়ে যেতো।  আপনি তো কতো ভালো মানুষ।  বলেই উনি কান্না শুরু করেদিলেন। । 
-- আচ্ছা আপনার দাদা দাদি কি নেই।  
-- জ্বি না।  
-- অহহ আচ্ছা।  
আমিও চুপ সেও চুপ।  তবে সে কান্না করছিলো।  একটা কথা না বললেই নয়।  মেয়েটির স্বভাব আর ব্যবহার দেখে আমি মুগ্ধ।  আমি যেনো মেয়েটির প্রেমে পড়ে গেছি।  যাই হক আনি এক বুক সাহস নিয়ে মেয়েটিকে বললাম। 
-- একটা কথা বলবো? 
-- হ্যাঁ বলেন।
-- আপনাকে আমার ভালো লেগেগেছে।  আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই। 
--কি বলছেন,  কিভাবে সম্বভ হবে।  আমাকে তো আপনি দেখেন ও নি।  তাহলে আমাকে কি করে বিয়ে করবেন।  
-- আচ্ছা আপনি কি রাজি আছেন কিনা বলেন।  আমি আপনার অই সব চাই না।  তবে আপনি যে আমার মনে মতো এতো টুকু বুঝতে পেড়েছি।  
-- আমিও আপনার মতো কাউকে খুজছিলাম।  কিন্তু আমার নানো তো রাজি হবে না।  
-- আপনি ঠিকানা দিন আমি যাচ্ছি রাজি করিয়ে নিয়েও আসবো।  
-সে ঠিকানাও দিলো আমি সকালে আম্মু কে আর আপু কে বাসায় নিয়ে এসে চলে গেলাম তাদের বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে।  কিন্তু হাসস্যকর বিষয় হলো এত কিছু হয়ে গেলো কিন্তু এখনো তার নাম টাই জানা হলো না।  আমি কিছু দূর যেতেই এই কথা টি আমার মনে হয়েছে।  আমি আবার ফিরে আসলাম বাসায়।  এসে তাকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার নাম টা আমার জানা হলো না।  বলতেই সে বললো তার নাম সাদিয়া জান্নাত সাদিয়া।  আচ্ছা আমি আসি বলে চলে গেলাম এবং সব কিছু রেডি করে ফরে আসলাম। সবাই রাজি এবং বিয়েটাও খুব সুন্দর করে কমপ্লিট হয়েছে।    বাসর ঘরে ডুকেই যা করার তা সেরে ফেললাম।  আরে আরে বেসিক গভিরে না৷  তার পড় সে বলতেছে সে নাকি প্রস্তুত না তাই আমি তাকে জোর করিনি।  বেস শুরু হলো আমাদের নতুন জীবন।  অন্য কোনো গল্পের মধ্য দিয়ে পড়ে কাহিনি টা তুলে দরবো।  ভালো থাকুম সুস্থ থাকুন।

সমাপ্ত
সবার আকাশ

0 Comments: