Headlines
Loading...
মনের মাঝে তুমি,  ভালোবাসার গল্প।

মনের মাঝে তুমি, ভালোবাসার গল্প।

* বাবা আমি এই বিয়ে করবো না।  প্লিজ তুমি আমাকে উদ্ধার করো। 
ভরা বিয়ের আসরে নতুন বরের মুখ থেকে এমন কথা শোনে বরের বাবা ও বোনের জামাই আকাশ থেকে পড়েছে।  
বরের বাবা বরে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো কেনো বাবা কি হয়েছে।  
উত্তরে বর বললো।  বাবা আমার খুব ভয় হচ্ছে আমি অসুস্থ অনুভব করছি।  আমার অসস্থি লাকছে।  আমি এই বিয়ে কিভাবে করবো।  
বরের বাবা বললো,  বাবা এই মুহুর্তে বিয়ে বন্ধ করা সম্ভব না।  তুমি একটু সয্য করো।  আমি আমার দায়িত্ব নিয়ে তোমাকে ডক্টরের কাছে নিয়ে যাবো।  
ব্যপারটা তখন ও কেও জানতে পাড়েনি।  এই দিকে বাধ্য হয়ে হয়ে আকাশ কে এই বিয়ে টা করতে হচ্ছে বাবার কথা রাখতে গিয়ে।  হাজার মানুষের এই আয়োজন কিভাবে বন্ধ করবে আকাশের বাবা।  আর এমন সময়ে কি করবে কিছুই ভেবে পাচ্ছিলো না আকাশ।  কোনো রকমে কবুল বলে কনে আর বর এক গাড়ি করে কনে তার স্বামীর বাড়ি যেতে লাগলো।  কিছুই বুঝতে পারছিলো না কনে।  কিছু দূর যেতেই বর কে নামিয়ে বউ কে নিয়ে চলে গেলো গাড়িটা।  বউ তার মতো করে চলে গেলো কিন্তু কি হয়েছে বুঝতে পারলো না৷  আকাশ কে নিয়ে যাওয়া হলো ডাক্তারের কাছে।  ডাকতার সব কিছু চেকাপ করে আকাশের বাবা কে বললো।  মানসিক চাপের কারনে এমন হয়েছে চিন্তার কিছুই নেই।  হঠাৎ করে নিজের পাসে অন্যকে কি করে মেনে নিবে তা নিয়ে দুসচিন্তা করতে করতেই এমন অবস্তা।  জোরে স্বাস ফেলে আকাশের বাবা আকাশ কে বললো বাবা বিয়ের আগে এমন একটু লাগবেই পড়ে ঠিক হয়ে যাবে।  আকাশ কিছু বললো না।  সেও রিলেক্স হয়ে বাড়িতে চলে আসলো।  
আজ সাত দিন হয়ে গেলো বর কনে এক সাথে থাকলেও দু-জন খাটের দুই পাশে থাকে।  সকালে উঠে আকাশ টেবিলে বসে বসে নাস্তা করছিলো।  মিথিলা আকাশের আম্মুকে বলছিলো সে চলে যাবে।  তার আম্মু মিথিলা মানে আকাশের বউ কে বললো কেনো গো বউ মা কি হয়েছে।  মিথিলা তার আম্মু কে কিছুই বুঝতে দিচ্ছিলো না।  কথা গুলো আকাশ শোনিয়ে শোনিয়েই বলছিলো মিথিলা।  আকাশ তার মত করে আন্মনায় বসে নাস্তা করছিলো।  অফিস থেকে ২-মাসের ছুটি দিয়েছে নতুন বিয়ে উপলক্ষে।  তার কোনো চিন্তাই নাই।  মিথিলা আর কিছু না বলে রেডি হয়ে আকাশের আম্মু কে সহ চলে গেলো তার বাপের বাড়িতে।  কিন্তু আকাশের আম্মু কিছুই বুঝতে পারছিলো না।  কি কারনে উনার বউ মা চলে যাচ্ছে।  গাড়িতে অনেক বার জিজ্ঞেস ও করেছে মিথিলাকে।  কিন্তু মিথিলা বলছিলো তার আব্বু আম্মু কে খুব মনে পড়ছে তাই তাকে যেতে হবে।  আকাশের আম্মুও তাই মেনে নিলো।  
অন্য দিকে মিথিলা চলে যাবার পড় দুইদিন পড় আকাশ বসে বসে ভাপছিলো।  মিথিলা কি আর আসবে না আমাদের বাড়িতে।  কেনো চলে গেলো সে।  সে কি এই বাড়িতে থাকতে পাড়বে না। আমি তো মিথিলাকে এখনো দিখিও নি।  রাস্তায় দেখা হলে চিনতে পারবো তো।   ভাপতে ভাপতে সুফাই ঘুমিয়ে যাবে ঠি তখনই তার আপু একটা বড় ছবি নিয়ে তার সামনে হাজির হলো।  বলতে থাকলো আমার ভাই আর ভাইয়ের বউটা কে অনেক মানিয়েছে।  এ যেনো রাজা আর রানি।  এটা শোনেই আকাশ লাফ দিয়ে উঠে তার আপুর কাছ থেকে ছবিটা নিয়ে সে যেনো হতবাক হয়ে গেলো।  সে কাকে দেখিলো এ তো একদম পরি।  এই পরিকে আমি শুধু শুধু এতো দিন কষ্ট দিচ্ছিলাম।  ভাপতে ভাপতে বলছিলো আকাশ।  
আপু এই মেয়ে কি আমার বউ,  এটা শোনে আকাশের আপু বললো কি বলছিস তুই ঠিক আছিস তো নাকি।  আকাশ বললো আপু বলনা এইটা কি আমার বউ।  তার আপু বললো তদের মধ্যে কি হয়েছে জানি না কিন্তু কিছু একটা হয়েছে যার কারনে মিথিলা চলে গেছে।  কি হয়েছে একটু খুলে বল আমাকে।  আকাশ তার মাথাটা নিচু করে সব খুলে বললো তার আপুকে৷।  তার আপু সব কিছু শোনে আকাশ কে বললো আমার আব্বু যে তোকে এতো সুন্দর একটা পরি এনে দিয়েছে সে তো তর কপালের ভাগ্য রে।  আর তুই কিনা এই মেয়েটা কে এতো দিন কষ্ট দিয়ে এসেছিস।  তকে দিয়ে কিছু হবে না।  তবে আমি এখন বুঝতে পেড়েছি তুই ভালো কিছু করিস নি।  আকাশ মাথা নিচু করে রইলো কিছু বললো না।  তার আপু আবার বললো আমার মোবাইলে মিথিলা নামে মিথিলাম নাম্বার টা সেভ করা আছে।  ক্ষমা চেয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আস।  আকাশ বললো।  আমার কি আর সেই মুখ আছে।  তার আপু বললো তুই একবার বলেই দেখ হয়তো মেয়েটা তর জন্য দুদিন যাবোত অপেক্ষা করে বসে আছে।  মোবাইল টা দিলে আকাশের আপু চলে গেলো।  আকাশ মিথিলার নাম্বার টা খুজে বের করে কল দিলো।   কল টা রিং হতেই রিসিভ হয়ে গেলো আর ওপাস থেকে মিষ্টি   একটা মেয়ে কন্ঠে আওয়াজ আসছিলো।  হেলো হ্যালো কে বলছে,  কথা বলছেন না কেনো।  কি হয়েছে কাকে চাই।  বলতে বলতে আকাশ বললো আপনি কি মিথিলা বলছেন।  মিথিলা বললো হ্যাঁ বলছি।  আপনি কে,  আমি বললাম আমি আকাশ। 
মিথিলাঃ- অহ! আপনি। কি হয়েছে কল দিয়েছেন কেনো? 
আকাশঃ- তুমি কি রাগ করে আছো মিথিলা?  একটু ক্ষমা করা যায় না।  
মিথিলাঃ -না যায় না আপনার মত পাশার রিদয়ের মানুষ কে ক্ষমা করা যায় না।  কেউ এমন করে বলেন? 
আকাশঃ- আচ্ছা আমি আসছি তোমাকে নিতে তুমি রেডি হও?  
মিথিলাঃ- পারবো না ড়েডি হতে।  দুদিন হয়ে গেছে কোনো খবর নেই আর আজকে আসবে আমাকে নিতে৷  কেনো কি পাপ করেছিলাম আমি আমার সাথেই এমন হবে।  
আকাশঃ- অকে আমি এখনি আসছি।  
বলে ফোনটা কেটে দিলো আর তারাহুড়া করে আকাশ তার বউকে নিতে চলে গেলো। তার শ্বশুর বাড়ি।  মিথালর সাথে দেখা হলো আকাশের।  আকাশ মিথাল কাছে গিয়ে বললো আমাকে ক্ষমা করো আর এখনি চলো।  মিথিলাও বললো যাবো তবে  শর্ত আছে।  আপনি আমার কাছ থেকে সাত দিন ধুরে থেকেছেন এইভার আমি আপনার থেকে সাতদিন দূরে থাকবো।  বেশি কথা বললে আমি কিন্তু যাবো না।  আকাশ মিথিলাকে কুলে নিয়ে রোমান্টিকতার সাথে ফিরে চলো তার বাড়িতে৷ 


সমাপ্ত।  



0 Comments: