Headlines
Loading...
ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন পর্ব ছয়

ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন পর্ব ছয়

 আসসালামু আলাইকুম,  কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল আছেন আমিও ভাল আছি।  বরাবরের মতোই আজকেও চলে এলাম আপনাদের মাঝে ভালবাসার গল্প মিসকলের শেষ দিন ছয় নাম্বার পর্ব নিয়ে।   চলুন গল্পে যাওয়া যাক। 

সে যখন বললো তার বিয়ের জন্য পাত্র ঠিক করছে তার বাবা।  পাত্র পক্ষ দেখতে আসবে তাকে আগামীকাল।  আমার তখন নানা কিছু মনে হচ্ছিলো দম টা বন্ধ হয়ে আসছিলো।  কি করবো বুঝতে পারছিলাম না আমি তাকে শান্তনা দিয়ে কলটা কেটে দিলাম।  আমি একটু অন্য রকম অনুভূতি ফিল করলাম।  যা আমাকে ব্যাথা দিতে থাকলো।  আমি ভাবতে লাগলাম আমার ভবিষ্যৎএর কথা।  আমি এখনো লেখা পড়া করি আমি আমার পরিবারের সবার বড় সন্তান।  আমি বিয়ে করলে আমার চাকরি বাকরি না হলে কি দিয়ে সংসার চালাবো সব কিছু চিনতা করেই আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলা হয়তো।  পরের দিন ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি হাসপাতালে।  আমার পরিবারের সবাই সেখানে।  আমি জিজ্ঞাস করলাম কি হয়েছিলো আমার।  আমার মা বললো আমরা কি জানি তুই কি খেয়েছিস তখন রাত বাজে দুইটা।  আমি বললাম আমি না কিছুক্ষন আগে ঘুমালাম।  এইটা বলতেই সবাই হাসতে লাগলো।  পরে বললো যে আমি নাকি আজকে সকাল থেকেই হাসপাতেলে।  তার পরের দিন আমি বাড়িতে আসলাম এবং রেষ্ট নিলাম।  আর আবারো আমার মনে পরে গেলো সেই বেদনাদায়ক কথা গুলো।  এইগুলা ভাবতে ভাবতেই কেটে গেলো।  আমার আরও একটা দিন রাতে সে আমাকে কল দিলো।  জিজ্ঞাস করলো এই দুইদিন কোথায় ছিলাম।  তার পর তাকে সব কিছু খুলে বললাম।  সে কান্না করতে লাগলো।  আমি বললাম কান্না করার কিছুই নেই।  জিজ্ঞাস করলাম পাত্র পক্ষের কথা৷  তার পর সে বললো যে তার বাবা নাকি খুজ নিয়ে দেখেছে ছেলে ভাল না।  তাই বিয়েটা হবে না।  এই কথাটা শুনার সাথে সাথে আমার মনে একটু শান্তি পেলাম।  তার পর আবার সেই একই ভাবে কেটে গেলো আরও এক বছর।  প্রথম বারের মতো আমাকে সে বললো যে তাকে নাকি আবার দেখতে আসবে।  ছেলে পক্ষ নাকি অনেক ভালো।  আমার মনটা একেবারেই ভেংগে হেলো।  আমার কিছুই করার ছিলো না আমার তখনো চাকরি হয়নি।  বেকার গুরি সমাজেও নানান কথা শুনতে হয়।  সব কিছু মিলিয়ে আমার অবস্তা তখন খুবি খারাপ।  অন্য দিকে তার বিয়েটাও ঠিক হয়ে গেলো।  কখন যে কি হলো বুঝতে পারছিলাম ন।। আমার তখন এক দিকে দম    বন্ধ হয়ে আসছিলো।  কি করবো বুঝতে পারছিলাম না।  সে আমাকে কল দিলো এই প্রথম সে আমাকে কল দিল।।  আমি ফোনটা দরতেই বললো কিছু একটা করতে তার বিয়েটা ফাইনালি ঠিক হয়ে   গেছে সাতদিন পরে তার বিয়ে।  এইটা শুনার পর আমি আর আমার চোখের পানি দরে রাখতে পারছিলাম না। জোরে জোরে একটা নিরিবিলি যায়গায় গিয়ে কান্না করতে লাগলাম।  কিছুই করার ছিলো না।  নিজেকে শেষ করে দিতে ইচ্ছে হচ্ছিলো।  আমি আর নিতে পারছিলাম না।  এইদিকে দিন চলে যাচ্ছে তার বিয়ের দিন চলে আসছিলো।  আমার ব্যথা তখন আরও বাড়তে থাকলো।   কি করবো ভেবে পারছিলাম না।  কাওকে বলতেও পারছিলাম না।  আমার বন্ধু মিনহাজের সাথে সব কিছু বলার পর আমার বন্ধু আমাকে একটু শান্তনা দিলো।  কিন্তু শান্তনাই কি হবে।  আমার তো বুকটা জলে ছাড় খার হয়ে যাচ্ছিল।।।। 

আজ এই পর্যন্তই  

0 Comments: